মরা বাঁদরের পাঞ্জা হাতে নিয়ে বুঝি হেলিকপ্টার আমার বন্ধু নয়; তার চেয়ে পর্বতারোহণ শ্রেয়, সমতলে মরা মানুষ কি হেন বিখ্যাত হল দেখা যায়, এবং পায়রা উড়ছে এমন ঠিক আকাশ বলা চলে না...
মাঝে মাঝে মনে হয় রাবণের হাত ধরে সভ্যতা গড়ি রামের হাত জুড়ে শালুক ফুল; পাঁকের গন্ধ মরা বাঁদর এ’কথা কিছুতেই মানবেনা তবু আমি জানি হেলিকপ্টার আমার বন্ধু নয়; তার চেয়ে উঠোনে মাদুর পেতে আকাশ দেখো; তুমি কত ছোট...
এই কিছুদিন হল মরা বাঁদরের ভাষা রপ্ত করেছি। এ’ভাষা মূলত গাণিতীক হলেও কাশ্মীরি বেগুনের ন্যায় গোলাপি ও সহজপাচ্য স্বাধীনতা বোধটি তীব্র যাহা।
মরা বাঁদর ও বিদ্যাসাগর-৪
মূলত ভৌগলিক কারণেই বিদ্যাসাগরের সাক্ষাত পায় বাঁদর এবং উভয়ের শেষ দিন পর্যন্ত এই পরিকল্পনা জ্যান্ত থাকে। গঙ্গাতীরের প্রবল শৈত্য প্রবাহ থেকে বাঁচতে জোড়া ধুতি পরিধান করেন বিদ্যাসাগর এবং ভাতও বসাতেন কিছুটা অগ্রাধিকার। মরা বাঁদরের জন্যই তুলাই পাঁজি ক্রমে ক্রমে বিখ্যাত ভাত হয়ে ওঠে।।
উনুন থেকে উদগত ধূম্র বড়ই প্রিয় বিদ্যাসাগরের। উনি জানতেন, একদিন বাংলাভাষা এভাবেই সফেদ স্বাধীন হয়ে যাবে। মেঘের পুঞ্জীভূত নাদ ধরা থাকবে এমন শীতকাল।।
মরা বাঁদরের হাতে যে জলাশয় ধরা আছে, পাত্রটি মাটির। হরিণ অন্য হরিণের ন্যায় ঘাড় নীচু করে মুখ দিল তাতে...
No comments:
Post a Comment